যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পঞ্চগড় আদালতে বিচার প্রার্থীদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হলো স্বস্তি চত্বর

পঞ্চগড় আদালতে বিচার প্রার্থীদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হলো স্বস্তি চত্বর

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
পঞ্চগড় আদালতে বিভিন্ন মামলার বিচার প্রার্থীদের বসে সাময়িক সময়ে বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হলো “স্বস্তি চত্বর”। রবিবার বিকেলে ফিতা কেটে ” স্বস্তি চত্বর” এর উদ্বোধন করে পঞ্চগড়ের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইমদাদুল হক।
এর মাধ্যমে জেলার দূরদূরান্ত থেকে আদালতে বিচার প্রার্থীরা সাময়িক সময় বসে বিশ্রামের সুযোগ পাবেন ও তাদের কিছুটা হলেও কষ্ট লাঘব হবে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উদ্বোধনকালে পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক, জেলার বিভিন্ন আদালতের বিচারকগণ, পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আদম সূফী, আদালত সমুহের অতিরিক্ত ও সহকারী পিপি গণ, সিনিয়র আইনজীবীবৃন্দ, আইনজীবীগণ, আইনজীবী সহকারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আদম সূফী বলেন, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং তাঁরই নামকরণে নির্মিত আজকের এই স্বস্তি চত্বর প্রমাণ করে এই এলাকার মানুষ এখানে এসে কিছু সময়ের জন্য এখানে স্বস্তিতে বসতে পারে বিশ্রাম নিতে পারে। সকলেই এর সুফল পাবেন ইনশাআল্লাহ।
পঞ্চগড়ের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইমদাদুল হক বলেন, পঞ্চগড় আদালতে অনেক দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন আসেন৷ উনারা আদালতে এসে নানা কাজ শেষে কোথায় বসবেন এমন স্থানের সল্পতা ছিল। আমরা জানি বৃক্ষ আল্লাহতালার অপার দান। বৃক্ষের ছায়ার নিচে তারা যদি একটু স্বস্তিতে বসতে পারে। মানুষকে স্বাচ্ছন্দে বসতে দেয়া এটা আল্লাহ তা’আলার একটা বড় নেয়ামত এবং পূন্যের কাজ। আমরা সেটা চিন্তা করেই এই স্বস্তি চত্বর নির্মাণ ও নামকরণ করেছি। আশা করি বিচার প্রার্থীরা এর সুফল পাবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com